দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বরগুনায় স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মারধর করে মুখের তিনটি দাঁত ফেলে দেওয়ার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসআরবি-৮ পটুয়াখালী ক্যাম্পের সদস্যদের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার পুরাকাটা ফেরিঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুকিত হাসান খান।
এসআরবি-৮ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার কয়েক দিন আগে বেতাগী উপজেলার বাসিন্দা পঞ্চম শ্রেণির ওই ছাত্রী ওয়াশরুমে গেলে ফয়সাল সেখানে উঁকি দেন। বিষয়টি ওই শিক্ষার্থীর নজরে পড়লে ফয়সাল দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। পরে শিক্ষার্থীটি বিষয়টি স্বজনদের জানালে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মারধরের হুমকি দেন ফয়সাল।
এরপর গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক শিক্ষকের সহযোগিতায় ওই শিক্ষার্থী স্কুলে যায়। বিকেল ৪টার দিকে স্কুল ছুটি হলে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল সে। এ সময় স্কুল প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে ফয়সাল তার ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এতে শিক্ষার্থীর মুখের সামনের তিনটি দাঁত পড়ে যায়। আরও দুটি দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরে স্কুলের শিক্ষক ও স্বজনরা আহত অবস্থায় শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার দিন রাতে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ফয়সালকে প্রধান আসামি করে চারজনের নাম উল্লেখ করে বেতাগী থানায় মামলা করেন। মামলার পর ফয়সালের মা ও এক ভাইকে গ্রেপ্তার করা হলেও ফয়সাল আত্মগোপনে থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
পরে ফয়সালকে গ্রেপ্তারে বরগুনা সদর উপজেলার পুরাকাটা এলাকায় অভিযান চালায় এসআরবি-৮ সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের সদস্যরা। অভিযানকালে পুরাকাটা ফেরিঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বরগুনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুকিত হাসান খান বলেন, এসআরবি সদস্যদের সহযোগিতায় বেতাগী থানা পুলিশ মামলার প্রধান আসামি ফয়সালকে গ্রেপ্তার করেছে। এর আগে এ ঘটনায় ফয়সালের মা ও এক ভাইকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ফয়সালকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদালতে পাঠানো হবে।
এমএস/